Archive for May, 2014

May 30, 2014

খালেদার হাতে জিয়ার ক্রেষ্ট তুলে দিলেন মুসা

নিজস্ব মতিবেদক

দেশের প্রথম এভারেষ্ট বিজয়ী হিসাবে ৪৩ বতসর পর একাত্তরের রেম্ব ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রাপ্য ক্রেষ্ট তাঁর স্ত্রী বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশের বিতর্কিত এভারেষ্ট সাটিফিকেট বিজয়ী পর্বত কারবারী ও বাংলার কলম্বাস মুসা ইব্রাহীম।

বৃহস্পতিবার মাদারে গনতন্ত্রের কার্যালয়ে আয়জিত এক জাকজমক পুর্ন অনুষ্ঠানে নর্থ আলপিন মাউন্টেনিং ক্লাবের পক্ষ থেকে এ ক্রেষ্ট হস্তান্তর করেন ক্লাবের নায়েবে আমীর মুসা ইব্রাহীম।

অনুষ্ঠানে মুসা বলেন, একাত্তর টিভিতে আমার নৌকায় করিয়া বাংলা চেনেল সাতরানর কাহীনী প্রচারিত হওয়ার পর নর্থ আলপিন মাউন্টেনিং ক্লাবের আমীর ও কারওয়ানবাজারের উপসর্দার আমিষুল হক পুটুনদা আমার কুন ফুনকল রিসিব করতেছেন না। আমি উনাকে খুদেবার্তা পাঠাইয়া বললাম, মেডামের কার্যালয়ে চলিয়া আসেন, একাত্তরের রেম্বর পাওনা হক্কের মালখানি হস্তান্তর করিয়া দিব। উনি উত্তরে আমায় পাল্টা খুদেবার্তা পাঠাইয়া বললেন, পু। তাই ক্লাবের আমীরের পরিবর্তে নায়েবে আমীরের হাত হতেই ক্রেষ্টখানি মেডামের হস্তে নিবেদন করতে হইতেছে।


জেনারেল জিয়ার প্রাপ্য ক্রেষ্ট বেগম খালেদা জিয়াকে দিলেন মুসা

আবেগঘন কণ্ঠে বাংলার কলম্বাস বলেন, দুই মাস আগে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র তারেক জিয়া লনডন হতে ঘোষনা দিয়াছেন, বাংলার প্রথম এভারেষ্ট বিজয়ী আর কেউ নহে, একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়া। পরবর্তীতে দেশের প্রধান প্রধান পতৃকায় পরিচালিত জরিপে এ দাবীর সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। তাই নর্থ আলপিন মাউন্টেনিং ক্লাবের পক্ষ হতে দেশের প্রথম এভারেষ্ট বিজয়ীকে এই ক্রেষ্ট প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আপসস তিনি আজ আমাদের মাঝে নাই, তাই মেডামের হাতে উনার ক্রেষ্টটি হস্তান্তর করলাম।

জেনারেল জিয়া স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুসা ইব্রাহীম বলেন, উনি যেরুপে মিডিয়ার জোরে স্বাধীনতার ঘোষক, আমিও সেরুপে মিডিয়ার জোরে প্রথম এভারেষ্ট সাটিফিকেট বিজয়ী। তিনিই আমায় লাইন চিনাইয়াছেন। আমি এই লাইনেই থাকব।

ক্রেষ্টের জন্য নর্থ আলপিন মাউন্টেনিং ক্লাব ও বাংলার কলম্বাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাদারে গনতন্ত্র বলেন, আমরা গদিতে গেলে এইসব একাত্তর টেকাত্তর আর চলবে না। একাত্তরের নাম পাল্টে যাবে।

May 29, 2014

চীনা নারীর বিরুদ্ধে কপিরাইট লংঘনের অভিযোগ করলেন মুসা

কাটমন্ডু মতিনিধি

৪০ বতসর বয়সী চীনা নারী পর্বতারোহী ওয়াং জিং এর বিরুদ্ধে কপিরাইট লংঘনের অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের বিতর্কিত এভারেষ্ট সাটিফিকেট বিজয়ী পর্বত কারবারী ও বাংলার কলম্বাস মুসা ইব্রাহীম।

মংগলবার নেপালের পর্যটন মন্ত্রনালয় ওই নারীর বিরুদ্ধে করা মুসার অভিযোগের তদন্ত শুরু করার কথা জানিয়েছে।

শুক্রবার ওয়াং জিং ৮৮৫০ মিটার উচ্চতার এভারেষ্ট পর্বত শৃংগে আরহন করেন।

কিন্তু কতিপয় ঝামেলাবাজ অভিযোগ করে, এপ্রিলে ৬৪০০ মিটার উপরে বেস কেম্প টুতে এক বরফ ধসে এভারেষ্টে উঠার সদর রাস্তা ভাংগিয়া পড়ায় এর উপরের দিকের একটি বেস কেম্পে গমন করতে ওয়াং জিং হেলিকপ্টার বেবহার করেছেন।

এই অভিযোগ পতৃকায় প্রকাশ পাওয়ার পর ওয়াং জিং এর বিরুদ্ধে নেপালের পর্যটন মন্ত্রনালয়ের জেষ্ঠ সহকারী সচিব লাল বাহাদুর থাপা বরাবর কপিরাইট লংঘনের অভিযোগ দাখিল করেন বাংলার কলম্বাস মুসা ইব্রাহীম।

লাল বাহাদুর থাপা কাটমন্ডু মতিনিধিকে জানান, অভিযোগের দরখাস্তে মুসা ইব্রাহীম বলেছেন, কুন অভিযানে গিয়া অভিযানে বেবহার করা নিষিদ্ধ এমন যান বাহনের সাহায্য নিয়া মিডিয়ার সহায়তায় অভিযান সফল করার দাবী জানানর আন্তর্জাতিক কপিরাইট মুসা ইব্রাহীমের। ওয়াং জিং মুসা ইব্রাহীমের অনুমতি না নিয়া উক্ত কায়দা অনুসরন করায় কপিরাইট লংঘন হয়েছে। এখন ওয়াং জিংকে কপিরাইট লংঘন বাবদ মুসাকে জরিমানা হিসাবে পঞ্চাশ লক্ষ টেকা দিতে হবে।

উদাহরন হিসাবে মুসা ২০১১ সালে টেকনাফ হতে নৌকা যোগে সাতার দিয়ে বাংলা চেনেল পাড়ি দিয়ে সেন্ট মাটিন দ্বিপ আবিষ্কারের উপর একাত্তর টিভির একটি প্রতিবেদনের সিডি দরখাস্তের সংগে দাখিল করেন।

এ বেপারে বাংলাদেশের কপিরাইট লংঘনের অভিযোগের পথিকৃত ও তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ বাংলার জবস মোস্তফা জব্বারের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুসা ইব্রাহীমকে সমর্থন করে বলেন, মুসাকে পঞ্চাশ লক্ষ টেকা জরিমানা দেওয়া ছাড়া ওয়াং জিং এর কুন উপায় নাই। কপিরাইট লংঘন মারাত্মক অপরাধ।

এ বেপারে ওয়াং জিং এর সংগে যোগাযোগ করলে তিনি মুসার অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, আমি এখন কারওয়ানবাজারের উপসর্দার আমিষুল হক পুটুনদার চোখে চোখ রাখিয়া কথা বলার চেস্টা করব। কারওয়ানবাজার চীনের পাশে আছে।

হেলিকপ্টারে চড়ে এভারেষ্টে উঠেছেন কিনা, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে ওয়াং জিং হাসতে হাসতে বলেন, কিছু ডিপিকাল্টিজ ছিল। কিন্তু আমরা মানুষ। মানুষ চাইলে সবই এচিভেবুল।

May 28, 2014

বেস্ত আছি: আমিষুল

সাহিত্য মতিনিধি

বাংলাদেশের বিতর্কিত এভারেষ্ট সাটিফিকেট বিজয়ী পর্বত কারবারী ও বাংলার কলম্বাস মুসা ইব্রাহীমের নৌকায় চড়ে বাংলা চেনেল পাড়ি দেওয়ার কেলেংকারী বিষয়ে একাত্তর টিভির প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর নতুন করে বেস্ত হয়ে পড়েছেন প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের উপসর্দার, মুসা ইব্রাহীমের ঘনিষ্ট বন্ধু ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক মার্কেজে কারওয়ানবাজার আল্লামা আমিষুল হক ওরফে পুটুনদা।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে পুটুনদা তার বেস্ততার কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আমিষুল হক বলেন, বাংলার কলম্বাস মুসা ইব্রাহীমের একটি ভিডু একাত্তর টিভিতে সম্প্রচার হয়েছে। প্রাচীন যুগে কৃষ্টফার কলম্বাস তিনটি নৌকা নিয়া আটলান্টিক চেনেল পাড়ি দিয়া আমেরিকা মহাদেশ আবিস্কার করেছিলেন। কেউ তাহাকে গালি দেয়নি, তাহার বদনাম করেনি। আমেরিকার রেড ইন্ডিয়ানরা তাহাকে ফুলের মালা দিয়া বরন করেছিল। আর আমরার মুসা ইব্রাহীম যখন তিনটি নৌকা নিয়া বাংলা চেনেল পাড়ি দিয়া সেন্ট মাটিন আবিস্কার করল, সবাই তাকে গালি দেওয়া শুরু করল। আমরা জাতি হিসাবে এমন কেন?

আবেগঘন কণ্ঠে পুটুনদা বলেন, বাংলার কলম্বাস মুসা ইব্রাহীম সেন্ট মাটিনে পাড়া দিয়াই বলছিলেন, সব কাজেই কিছু ডিপিকাল্টিজ থাকে। মুসার কাজে সর্বাপেক্ষা বড় ডিপিকাল্টিজ হইতেছে বাংগালী জাতি। তারা শুদু ছুট ছুট বেপারে বড় বড় গন্ডগুল করে।


বলদের পুটু ও কারওয়ানবাজারের উপসর্দার আমিষুল হক পুটুনদা (বাম হতে পঞ্চম)

সাতার কেটে চেনেল পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকায় উঠে সিংহ ভাগ পথ অতিক্রম করাকে ঠগবাজী বলা যায় কিনা, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে মার্কেজে কারওয়ানবাজার বলেন, এখন বেস্ত আছি। কুন কথা বলব না। অজন্তা ইলরায় পাহাড়ের গায়ে খুদাই করা নেংটা মেয়েছেলের ছবি দেখতে চাইলে দেখাইতে পারি। বাংলার কলম্বাসের বেপারে ন কমেন্টস।

নিজেকে কারওয়ানবাজারের মার্কেজ ঘোষনা দিয়ে আমিষুল হক বলেন, আমি যদি বলি আমি বাংলার মার্কেজ, জনগন হাসাহাসি করবে, কারন বাংলায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রয়েছেন। আমি যদি বলি আমি অংপুরের মার্কেজ, জনগন হাসাহাসি করবে, কারন অংপুরে সৈয়দ শামসুল হক রয়েছেন। কিন্তু আমি যদি বলি আমি কারওয়ানবাজারের মার্কেজ, তাহলে কেউ হাসাহাসি করবে না। কারন কারওয়ানবাজারে আমায় লইয়া হাসাহাসি করলে চাকরি নট।

হাসতে হাসতে পুটুনদা বলেন, পু!

May 27, 2014

আমরা অমর সংগী

কেলেংকারী মতিবেদক

মুসা ইব্রাহীম: কিছু ভিডু থাক না গুপন


অন্তরংগ অবস্থায় এভারেষ্ট সাটিফিকেট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম ও কারওয়ানবাজারের উপসর্দার আমিষুল হক পুটুনদা

%d bloggers like this: