January 15, 2015

#I_AM_NOT_MONIR

February 25, 2015

কুন সালাই আমার সনদ বাতিলের কথা কয় না হিহিহি: খোকা

নিউ ইয়র্ক মতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের লাশ ফেলার মাধ্যমে সরকারকে ‘শেক’ করার বেপারে বাকশাল হতে বিতাড়িত হয়ে তৃতীয় শক্তি নাগরিক ঐক্যের প্রতিষ্ঠাতা আমীর ও বৃহত্তর জামায়াতের ভাইবার শাখার আমীর আল্লামা মাহমুদুর রহমান মান্নার সংগে একটি মুঠফুন কথপকথন ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর চিকিতসার জন্য নিউ ইয়র্কে অবস্থানকারী বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মার্কিন যুক্তরাস্ট্র পলাতক নায়েবে আমীর, অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর সাবেক মেয়র ও ৫মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের জেহাদে গাজী ও শহীদদের বকেয়া ১৭৫০ কুটি টেকা মজুরি খেলাপী আল্লামা সাদেক হোসেন খোকা ওরফে গালকাটা খোকা বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষকরা আল্লামা মান্নার সনদ বাতিলের দাবী তুলছে। কিন্তু কুন সালা ঘোচু আমার সনদ বাতিলের কথা কয় না হিহিহি।

আজ নিউ ইয়র্কে মার্কিন যুক্তরাস্ট্র বিএনপি শাখার বহিস্কৃত বিশেষ উপদেস্টা ও ৯ বতসরে ২৭ বার জেল খাটা দাগী কয়েদী কংগ্রেসমেনের সই জালিয়াতি কেলেংকারীর নায়ক জাহিদ সরদার সাদীর বাসভবনে আয়জিত এক আড্ডা মহাফিলে আল্লামা খোকা এ কথা বলেন।

আড্ডায় আমন্ত্রিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে আল্লামা খোকা বলেন, মুঠফুনে আলাপ করলাম আমি আর মান্না। মনির পুড়াইয়া আন্দুলন বেগবান করার পরামিশ করলাম আমি আর মান্না। নাগরিক ঐক্যের শান্তি ও সংলাপের দাবীতে মিছিলে লোক সরবরাহ করার ফন্দী করলাম আমি আর মান্না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাচ দশটা ছাত্রের লাশ ফেলাইয়া স্বৈরাচার বাকশাল সরকারের শেখের বেটীকে শেক করার চক্রান্ত করলাম আমি আর মান্না। অতছ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগুলু শুদু মান্নার সনদ বাতিল করার দাবী তুলে।


কংগ্রেসমেনের সই জালিয়াতি কেলেংকারীর নায়ক জাহিদ এফ সরদার সাদীর সংগে অন্তরংগ অবস্থায় আল্লামা খোকা

আবেগঘন কণ্ঠে গালকাটা খোকা বলেন, কুন সালা ঘোচু এ পযন্ত আমার সনদ বাতিলের দাবী তুলল না। অতছ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে আমি মাস্টাশ পাশ দিয়াছি। সনদ আমারও একটি আছে। উহা বাতিলের দাবী করার বেপারে কারও কুন উতসাহ দেখি না।

হাসতে হাসতে আল্লামা খোকা বলেন, আমিও যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আছিলাম, আরেফিন উপাচার্য মনে হয় তাহা জানেই না। আরে সালা ঘোচু, নাহয় বিএনপি শাখার রাজনীতী করি, তাই বলিয়া ইতনা অবহেলা?

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে খোকা বলেন, মনির পুড়ানি বাস জ্বালানি লাশ ফালানির হুকুম আসে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসি এবং বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও বর্তমান আমীর এট লার্জ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে লাদেন-এ-লনডন তারেক জিয়ার নিকট হতে। পারলে উহাদের জেএসসি সনদ বাতিল কর ত দেখি।

Tags:
February 25, 2015

গোয়েন্দাদের সংগে মান্নার গোপন চুক্তি (ভিডিও)

নিজস্ব মতিবেদক

অজ্ঞাত পরিচয় অষ্ট্রেলীয়া নিবাসী বেক্তির সংগে সেনা বাহীনীর উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তাদের লাইনে আনার বেপারে বাকশাল হতে বিতাড়িত হয়ে তৃতীয় শক্তি নাগরিক ঐক্যের প্রতিষ্ঠাতা আমীর ও বৃহত্তর জামায়াতের ভাইবার শাখার আমীর আল্লামা মাহমুদুর রহমান মান্নার একটি মুঠফুন কথপকথন ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর গা ঢাকা দেওয়ার চেস্টা করে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়া মান্না তাদের সংগে গোপন একটি চুক্তির চেস্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গোয়েন্দা পুলিশ আজ মতিকণ্ঠকে এ চুক্তির চেস্টার কথা নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোয়েন্দা পুলিশ বলেন, আল্লামা মান্না মুঠফুন দিয়াই বিপ্লব করিয়া বাংলাদেশের খলিফা হওয়ার পরিকল্পনা করিয়াছিলেন। সেনা বাহীনীর বড় বড় জেনারেলগুলুকে ১/১১ এর নেয় টেংক বন্দুক লইয়া মাঠে নামানই ছিল তাহার উদ্দেশ্য। কিন্তু ধরা পড়ার পর মান্না এখন আমাদিগের সংগে একটি গোপন চুক্তির চেস্টা করছেন।


মান্না

আবেগঘন কণ্ঠে গোয়েন্দা পুলিশ বলেন, আল্লামা মান্নাকে আমরা তার ভাইয়ের বাসা হতে গ্রেফতার করিয়া আমাদের কার্যালয়ে লইয়া যাইতেছিলাম। কিন্তু মাঝ রাস্তায় তিনি অসহযগ আন্দুলন শুরু করেন। বাধ্য হইয়া আমরা গাড়ী হইতে নামিয়া মেথর ডাকিয়া আনিয়া গাড়ী সাফ করিতে বলি। এই কারনে উনাকে থানায় জমা দিতে আমাদের একুশ ঘণ্টা দেরী হইছে।

হাসতে হাসতে গোয়েন্দা পুলিশ বলেন, মান্নাদা সব স্বিকার করছেন। উনি সেনা বাহীনীর জেনারেলদিগের সংগে চক্রান্তের চেস্টার পাশাপাশি বাংলাদেশ গার্লস গাইডের উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তাদের সংগেও মুঠফুনে চক্রান্ত করিয়া বিপ্লবের চেস্টা করিয়াছিলেন। তবে গার্লস গাইড উনার বিপ্লবের ডাকা সাড়া না দিয়া বলছে, তারা গনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

চুক্তির বেপারে জিজ্ঞাসা করলে গোয়েন্দা পুলিশ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ১৩১ ধারায় সশস্ত্র বাহীনীকে উসকানি দিয়া বিপ্লব ঘটনার অপরাধে আমরা আল্লামা মান্নার নামে মামলা করছি। উনি হাকিমের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিতে রাজী হইছেন। কিন্তু বিনিময়ে তিনি আমাদের শর্ত দিয়াছেন, মুন্নী সাহা ও আন্দালীব পার্থর সংগে উনার মুঠফুন আলাপ যাতে আমরা ফাস না করি। এখনও এই চুক্তি পাকা হয় নাই। কিন্তু মান্নাদা চেস্টা চালাইয়া যাচ্ছেন।

ভিডিও

মান্নার সংগে মুন্নী সাহার কি বিষয়ে মুঠফুন আলাপ হয়েছে, এ বেপারে জানতে চাইলে গোয়েন্দা পুলিশ সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, ২০১৩ সালে চট্টগ্রামের এক তরুনীর সংগে আল্লামা সাঈদীর মুঠফুন সংলাপে যে মেশিনের মাপ দেওয়া হইছিল, সে কথা মনে আছে?

আন্দালীব পার্থর সংগে মান্নার কি বিষয়ে মুঠফুন আলাপ হয়েছে, এ বেপারে জানতে চাইলে গোয়েন্দা পুলিশ সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, ২০১৩ সালে বিএনপি শাখার জনৈক কর্মীর পত্নীকে যে এম কে আনোয়ার তিন আংগুল বেবহার করতে বলছিলেন, সে কথা মনে আছে?

February 24, 2015

আছিলাম সুশীল হইলাম উদ্বিগ্ন: মান্না

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মার্কিন যুক্তরাস্ট্র পলাতক নায়েবে আমীর, অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর সাবেক মেয়র ও ৫মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের জেহাদে গাজী ও শহীদদের বকেয়া ১৭৫০ কুটি টেকা মজুরি খেলাপী আল্লামা সাদেক হোসেন খোকার সংগে বাকশাল হতে বিতাড়িত হয়ে তৃতীয় শক্তি নাগরিক ঐক্যের প্রতিষ্ঠাতা আমীর ও বৃহত্তর জামায়াতের ভাইবার শাখার আমীর আল্লামা মাহমুদুর রহমান মান্নার একটি মুঠফুন কথপকথন ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় পলাতক মান্না বলেছেন, আছিলাম সুশীল হইলাম উদ্বিগ্ন।

আজ অজ্ঞাত স্থানে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আল্লামা মান্না।

সংবাদ সম্মেলনে মান্না বলেন, বিজ্ঞান আমাদিগেরে দিছে বেগ আর কাড়িয়া লইছে আবেগ। আবেগ বাদ দিয়া মুঠফুনে আল্লামা খোকা ভাইয়ের সংগে দুটু রাজনীতীর আলাপ করছিলুম। কিন্তু স্বৈরাচার বাকশালের ফেসিবাদী গোয়েন্দারা উক্ত আলাপ রেকড করিয়া পতৃকায় ছাড়িয়া দিল। বিজ্ঞানের সংগে কেন এই অনাচার?

আবেগঘন কণ্ঠে মান্না বলেন, আল্লামা খোকার নিকট দশ হাজার জনগন হাওলাত চাইতেই আমি তাহাকে ফুন মারিয়াছিলুম। কিন্তু রাজনীতী এমন জটিল বিষয় যে কথায় কথায় যে কত কিছু বলিয়া ফেলি তার কুন ঠিক নাই। আর ইহাকেই গোয়েন্দা আমীর ও পতৃকা আমীরের দল মিলিয়া জুড়াতালি দিয়া এমন এক জিনিস বানাইল যে শুনিয়া মনে হবে আমি রাজনীতী বুঝি।


মান্না

হুহু করে কেদে উঠে মান্না বলেন, ছয়টি বতসর ধরিয়া বৃহত্তর জামায়াতের ছাতির তলে বসিয়া তিলে তিলে নাগরিক ঐক্য গড়িয়া তুলছি। বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনেতা দলের অন্যতম সদস্য, খেতনামা আইনজীবী ও দেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক ডেভিড বাগমেনের বৈধ শশুড় গন ফোরামের প্রতিষ্টাতা আমীর ড. কামাল হোসেন, সুশাসনের জন্য নাগরিকের আমীর বদি মজুমদার, কারওয়ানবাজারের বেবসায়ী রোকেয়া আফজল রহমান, তত্তাবধায়ক সরকারের মুখপোড়া নায়েবে আমীর ড. আকবর আলী খানসহ অনেক সুশীলরেও নাগরিক ঐক্যে আনছিলাম। বাকশাল ও বৃহত্তর জামায়াতের মারামারি হানাহানিতে জনগন অতিষ্ট। তারা শান্তি চাই। শান্তির জন্য প্রয়জন আগুনে পুড়া মনিরের পক্ষে বাকশাল ও মনির পুড়ান দুর্বৃত্তের পক্ষে বৃহত্তর জামায়াতের সংলাপ। আর এই সংলাপের পাইকার হিসাবেই একটি মিছিল ডাকিয়াছিলুম। নাগরিক ঐক্যের মিছিলে কুন ভদ্র লোক আসে না বলিয়া মার্কিন যুক্তরাস্ট্র পলাতক খোকাদাকে ফুন মারিয়া বললুম, দশটি হাজার লোক পাঠাও, বাকশালের গদি ফালাইয়া দিব। কিন্তু কি হইতে কি হইয়া গেল, আমার আর শান্তি ও সংলাপের জন্য মিছিল করা হল না।

কাদতে কাদতে সব কিছুর জন্য আল্লামা খোকাকে দোষ দিয়ে আল্লামা মান্না বলেন, ঐ সালা ঘোচুই এই অডিও ফাস করিয়া দিছে। আমি মেয়র পদে খাড়াইছি ইহা তার পছন্দ নহে। গালকাটা খোকার পেটে পেটে শুদু হিংসা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলার প্রসংগে আত্ম পক্ষ সমর্থন করে মান্না বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিরিশ হাজার ছাত্র ছাত্রী। পাচ দশটার লাশ পড়লে কি এমন ক্ষতি? আমরা যখন কেম্পাসে রাজনীতী করতুম তখন এমন কুন মাস যায় নাই যে গায়েবানা জানাজার তবারক খাই নাই। স্বৈরাচার বাকশালের অত্যাচারে সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ শুদু কাপুরুষ নিরবতা। সহপাঠীর জানাজায় খাড়াইয়া দুটু সুয়াব কামানির সুযুগ হতেও ছাত্ররা বঞ্চিত হইতেছে।

কেন তিনি পুলিশের হাতে ধরা না দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, উপস্থিত সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে মান্না রাগারাগি করে বলেন, আমি ত অডিও ফাস হওয়ার সংগে সংগে ধানমন্ডি থানায় গিয়া বললাম, ফেসিবাদী ওসি তুই আমায় এরেষ্ট করিয়া কারাগারে লিয়ে চল। ওসি হারামজাদা হাসতে হাসতে বলল, তুমার নামে নাই কুন মামলা, নিজের পুটু নিজেই সামলা।

কাদতে কাদতে মান্না বলেন, পতৃকার ষড়যন্ত্রে সারা দেশের লোক এখন জানে যে মনির পুড়ানির ফুসলি আমিই দেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিরিশ হাজার ছাত্র ছাত্রী আমায় পাইলে পিটাইবে। সাধারন লোক আমায় মারিয়া গায়ে আগুন ধরাইয়া দিতে পারে। এমতাবস্থায় আমি ছুট মানুষ বাইরে একা একা ঘুরাঘুরি করব কিভাবে? আর বৃহত্তর জামায়াতের লোক এই ঘোলা পানিতে আমায় পিটাইয়া মারিয়া বাকশালের উপর যে দুষ ফালাইবে না, তাহারই বা কি নিশ্চয়তা?

বাকশাল সরকারকে চেলেঞ্জ জানিয়ে আল্লামা মান্না বলেন, সাহস থাকলে এই অডিও গ্রামে গঞ্জে মাইক দিয়া শুনানির বেবস্থা করুন। জনগনকে সিদ্ধান্ত লইতে দিন। জনগন আজ শান্তি চায়, সংলাপ চায়। আমার আর খোকাদার সংলাপ শুনিয়া উহারা অনেক শান্তি পাইবে।

February 22, 2015

মেডামের দুয়ায় সমস্যা আছে: মিছবাউল

ক্রীড়া মতিবেদক

চলমান বিশ্বকাপ কৃকেটে পাকিস্তানের উপর্যুপরি শোচনীয় পরাজয়ের পিছনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির দুয়া কালামে সমস্যাকে দায়ী করে পাকিস্তান কৃকেট দলের আমীর মিছবাউল হক বলেছেন, মেডামের দুয়ায় সমস্যা আছে।

আজ বৃসবেনের একটি স্থানীয় কৃকেট মাঠে জিম্বাবুয়ের সংগে পরবর্তী মেচের পুর্বে বেটিং, বলিং, ফিলডিং ও মেচ ফিকসিং অনুশীলনের পর আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাদারে গনতন্ত্রের দুয়ায় সমস্যার কথা তুলে ধরেন মিছবাউল।

সংবাদ সম্মেলনে মিছবাউল হক বলেন, আমরা ইতি পুর্বে পত্র পতৃকা পাঠ করিয়া জানতে পারছিলাম যে মাদারে গনতন্ত্র পাকিস্তান কৃকেট দলের জন্যি রোজা রাখিয়া ছিলেন। কিন্তু আমরা মালাউন ইনডিয়ার নিকট নির্মম ভাবে পরাজিত হওয়ার পর তিনি রোজা ভংগ করেন।

আবেগঘন কণ্ঠে মিছবাউল কৃকেটার বলেন, ওয়েষ্ট ইন্ডিজের সংগে খেলতে নামিয়া আমরা মেডামের নায়েবে সাহাফা মারুফ কামাল খানের এছেমেছ পাইলাম যে তিনি এছেছছি পরীক্ষার পড়ালিখা বাদ দিয়া আমরার জন্যি একুশে ফেব্রুয়ারী মধ্য রাত্রে দুয়া মহাফিলের আয়জন করছেন। মেডামের দুয়ার উপর ভরসা করিয়া আমরা খেলতে নামলাম। কিন্তু সে দুয়ার প্রতিক্রিয়ায় আমাদিগের জয় লাভ ত দুরের কথা, পাইজামা পুটুতে রাখাই কঠিন হইয়া গেল। ১ রানে ৪ উইকেট হারানির বিশ্ব রেকড লইয়া ওয়েষ্ট ইন্ডিজের মত একটি মালাউন দলের হাতে নির্মম পুটুমারা খাইয়া আমরা পেভিলনে ফিরত আইলাম।


ইনডিয়া জিতে গেছে

হুহু করে কেদে উঠে মিছবাউল বলেন, মেডামের দুয়ায় যদি কুন কাম হইত, তাহলে আজ সাউথ আফৃকার সংগে ইনডিয়া শত শত রানের বেবধানে জয় লাভ করতে পারত? পারত না। এতে কি প্রমান হয়? প্রমান হয় যে মেডামের দুয়ায় সমস্যা আছে।

অবিলম্বে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্বাধীন রাস্ট্র হাটহাজারিস্তানের খলিফা ও হেফাজতে ইসলামের আমীর উপমহাদেশের সর্বাপেক্ষা হিট আলেম আল্লামা রাজ শাহ আহমদ শফীর তত্তাবধানে মাদারে গনতন্ত্রকে দুয়া কালাম প্রশিক্ষনের বেবস্থা করার জন্য বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন বাকশাল সরকারের প্রতি আহোভান জানিয়ে মিছবাউল হক বলেন, মেডামের ভুল দুয়ার কারনে আমাদের মেচ ফিকসিং বেবসায় চরম অবক্ষয় দেখা দিছে। মাদারে গনতন্ত্র অবিলম্বে সঠিক ও কার্যকরী দুয়া শিখিয়া দুয়া মহাফিলে না বসলে আমরা বৃসবেন প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন করতে বাধ্য হইব।


দুয়ার টেবিলে নারী পুরুষের অবাধ মিলামিশা

পতৃকায় প্রকাশিত মেডামের দুয়া মহাফিলের ছবি দেখিয়ে মিছবাউল উপস্থিত সাংবাদিকগনের কাছে ক্ষুব্ধ কণ্ঠে প্রশ্ন করেন, দুয়ার টেবিলে নারী পুরুষের অবাধ মিলামিশা হলে সে দুয়ায় কি কখনও কাম হবে? এ কেমন মহাফিল? আল্লামা রাজের ১৩ দফার ইতনা অবমাননা কিউ হতা হায়?

এদিকে মিছবাউলের অভিযোগের জবাবে পাল্টা বিবৃতীতে মাদারে গনতন্ত্রের নায়েবে সাহাফা মারুফ কামাল খান বলেন, আমি পাকিস্তানের কৃকেট দলের আমীর শ্রীযুক্ত মিছবাউল হককে মেডামের পক্ষ হতে পরিস্কার জানাইয়া দিতে চাই যে একুশে ফেব্রুয়ারী আমরা পাকিস্তান কৃকেট দল নহে, বরং ভাষা শহীদ গোলাম আজম, ভাষা শহীদ ইউছুপ, ভাষা শহীদ আবদুল আলীম ও ভাষা শহীদ আবদুল কাদের মোল্লা ও হবু ভাষা শহীদ কামারুজ্জামানের জন্যি দুয়া মহাফিল বসাইয়াছিলাম। জিম্বাবুয়ের সংগে পাকিস্তানের মেচের পুর্বে মেডাম খাস দিলে ইস্পিশাল দুয়ায় বসবেন ইনশা আল্লাহ। আপুনি টেকাটুকা খাইয়া জিম্বাবুয়ের সংগে পরাজয়ের রাহে পা না বাড়াইলে পাকিস্তানের ইজ্জত বাচবে, মেডামের দুয়ার বদনামও কমবে। লাইনে আসুন।

হাসতে হাসতে মারুফ নায়েব বলেন, এ দুয়া সে দুয়া নহে।

 

%d bloggers like this: