August 6, 2016

মুক্তমনারাও পচা: আইজিপি

নিজস্ব মতিবেদক

জংগীদের বদনাম করার পাশাপাশি বেলান্স করার জন্য মুক্তমনাদেরও গালি দিয়ে পুলিশের আমীর আইজিপি শহীদুল হক বলেছেন, জংগীরা খারাপ, কিন্তু মুক্তমনারাও ভাল নহে। সালারা ধর্মানুভুতিতে আঘাত দেয়।

দৈনিক আমার কাগজ পতৃকার প্রতীষ্ঠা বার্ষীকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়জিত এক সভায় এ বিষদগার করেন শহীদুল আইজিপি।

সভায় প্রধান বক্তার বক্তিতায় আমীরে পুলিশ বলেন, গত বৃহস্পতি বার জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক ও তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাও’ আল্লামা আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ভালবাসার অভাবে ও কাজের অভাবে পুলাপান জংগী হইয়া যাইতেছে। কিন্তু আজ শনিবার আমি বলতেছি, ভালবাসা ও কাজের অভাবে পুলাপান মুক্তমনাও হইয়া উঠতে পারে। জংগী পুলাপান যেমন নিকটস্থ চরে গিয়া অস্ত্র প্রশিক্ষন লয়, তেমনি মুক্তমনা পুলাপান নিকটস্থ চরে গিয়া কলম প্রশিক্ষন লইতে পারে। জংগীরা যেমন বিনা কারনে বিশ জন মানুষরে জবেহ করে, মুক্তমনারাও তেমন বিনা কারনে বিশ জন মানুষের মন কালা বানায়। যাহা চাপাতি তাহাই কলম। যাহা গর্দান তাহাই মন।

বক্তব্যের এ পর্যায়ে শহীদুল আইজিপি কেদে ফেললে আয়জকরা তাকে এক গ্লাশ হরলিকস পান করিয়ে শান্ত ও চাংগা করে তুলেন।


বেলান্স

মুক্তমনাদের হুশিয়ার করে দিয়ে শহীদুল আইজিপি বলেন, শরীয়তপুরের নড়িয়া থানায় আমার বাড়ি। নড়িয়ার আশেপাশে দুর্গম চরের কুন অভাব নাই। তুরা এইসব লিখালিখি করলে রিটায়ারের পর চলিয়া যাব কুন দুর্গম চরে, অস্ত্র প্রশিক্ষন লইয়া তারপর দেখিস কি করি। অথবা তুরস্ক হইয়া যাবগা সিরিয়া। নড়িয়া হোক বা সিরিয়া, আবার আসিব ফিরিয়া, মুক্তমনাগ ছাল তুলিয়ালাইব ছিড়িয়া।

আবেগঘন কণ্ঠে আমীরে পুলিশ বলেন, বহু কস্টে বাক স্বাধীনতারে বুলেটপ্রফ জেকেট পিন্দাইয়া আমরা এসকট দিয়া লইয়া যাইতেছি। কিন্তু আড়াল হতে এইসব ওত পেতে থাকা মুক্তমনার দল আমাদিগের দিকে বলগ ছুড়িয়া মারতেছে। আত্মরক্ষার্থে এখন আমরা কিছু করলে ত কবি পুলিশ ভাল না। এদিকে আমায় যে রোজ রোজ ধর্মানুভুতিতে আঘাত পাইতে হয়, উসকা কেয়া হগা রে কামিনা?

August 6, 2016

মাইলসকে জংগী প্রশিক্ষন দিব: আনু

নিজস্ব মতিবেদক

বাংলাদেশের বিখ্যেত বেন্ড সংগীত দল মাইলসকে জংগী প্রশিক্ষন দানের ঘোষনা দিয়ে রাজনীতীর মাঠে আলড়ন তুলেছেন জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক ও তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাও’ আল্লামা আনু মুহাম্মদ।

বৃহস্পতি বার বাম মর্চা আয়জিত এক বিবিধ প্রতিবাদ সভায় বক্তিতা কালে এ ঘোষনা দেন আওলাদে মাও।

বক্তিতায় আল্লামা আনু বলেন, আপনাদের এই সভায় আসার পুর্বে বাসদের তালেব শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট আয়জিত আরেকটি সভায় আমি বক্তিতা দিয়াসছি। ঐ সভায় বলছি, কাজের অভাবে পুলাপান জংগী হইতেছে। আপনাদের এইখানে আসিয়া উল্টা কথা বলতে ত পারি না। তাই একই কথা এইখানেও কব। ফেসিবাদী বাকশাল সরকার কাজ দিতে পারে না বলিয়াই দেশে জংগীর এমন বাম্পার ফলন ফলতিছে।

এ সময় উপস্থিত দর্শকরা তুমুল হাততালি দিয়ে আওলাদে মাওকে উতসাহ দেন।


কতিপয় বেকারের সামনে আওলাদে মাও

আবেগঘন কণ্ঠে আওলাদে মাও বলেন, আগে বেকার হইলে পুলাপান বাসদে ঢুকত। এখন গিয়া ঢুকতিছে হিযবুদ তাহরীর, জেএমবি, আনসারুল্লা, প্রভৃতি সংগঠনে। কেন এমন হতিছে? কারন বাসদ ঐ বেকারদিগকে উপযুক্ত জংগী প্রশিক্ষন দিতে বের্থ। আর একবিংশ শতাব্দীতে কুন বেকারই বিনা প্রশিক্ষনে ফাও বসিয়া থাকবে না।

বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে আল্লামা আনু বললেন, এইটুক পযন্ত বলার পরই বাসদের আমীর ঐ খালকাটা খালেক আমায় ঘেটী ধরিয়া মাইকের সম্মুখ হইতে সরাইয়া আনিয়া বলল, আওলাদে মাও তুই পুলাপানের সামনে এইসব বলিয়া খাটনি বাড়াইতেছিস কেনে? আদর্শের কথা বল নয়ত যা গিয়া। এই আচরন তার নিকট হইতে আশা করি নাই। তাই পুনরায় মাইক নিয়া বললাম, শুদু কাজের অভাবেই নহে, ভালবাসার অভাবেও পুলাপান জংগী হয়। তুমরা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নিয়মিত ভালবাসা কর ত?

হুহু করে কেদে উঠে আওলাদে মাও বলেন, সাদা মনে এই কথা জিগানর পরপরই ফ্রন্টের সভায় যেন ঠাডা আসিয়া পড়ল। যুবক যুবতী পরস্পরের পানে তাকাইয়া হুহু করিয়া কাদিয়া উঠল। খালেক সালা আমায় পুনরায় ঘেটী ধরিয়া চক্ষু রাংগাইয়া বলল, জানস না দুই দিন পরপর যৌন বেপার লইয়া আমার সাধের বাসদ ভাংগিয়া দুই তিন টুকরা হয়? তবে কেনে এই জিনিস ঘাটস?

আল্লামা আনুর বক্তব্যের এ পর্যায়ে সভায় উপস্থিত দর্শকদের মাঝে গুঞ্জন উঠে। কতিপয় বেয়াড়া দর্শক ডাক্তার রোকন, মোক্তার তাকী, ডেন্টিষ্ট তুষার, আইটি সুজন প্রভৃতি পেশায় বেস্ত বিবাহিত জংগীর উদাহরন দিলে আওলাদে মাও রাগারাগি করে বলেন, বেতিক্রম ত দুই তিনশ থাকবেই। পাকনা কথা না বলিয়া চুপ করিয়া বস, যা বলি শুন।

অতি সম্প্রতি ভারতের কলকাতা নগরীতে বেন্ড সংগীত পরিবেশন করতে গিয়ে বয়কটের স্বিকার মাইলস বেন্ডের উদাহরন দিয়ে আওলাদে মাও বলেন, হমীন হুজুর ও শফীন হুজুর, উভয়েই নিজ নিজ গনতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে গিয়া হিন্দুস্থানের পুটু মারিয়া ফেসবুক ষ্টেটাস দিত। ইহাতে ফেসিবাদী হিন্দুস্থানীরা চেতাচেতি করিয়া উহাদিগের রিজিকে হাত দিছে। মাইলস আর কলকাতায় কনসাট করিতে পারবে না। দেশেও শাহাবাগী ফেসিবাদের পর হইতে আজ ইস্তক সরকারের গুপন ইশারায় উহাদের রোজগার বন্দ। বেকারত্বের অভিশাপে মাইলস আজ জর্জরিত। মাইলসের শিল্পিরা বয়সে আমারও মুরুব্বি, এই বয়সে ভালবাসা পাওয়া অসম্ভব না হইলেও কঠিন। তাই কাজ ও ভালবাসা, উভয়ের অভাবে উহাদের জংগী হওয়া ছাড়া আর কুন উপায় নাই। আমি হমীন হুজুর ও শফীন হুজুরকে অবিলম্বে নিকটস্থ চরে গিয়া জংগী প্রশিক্ষন লওয়ার আহোভান জানাইতেছি। প্রয়জনে আমি নিজে উহাদের বন্দুক চালনা ও তাইকেন্দু শিখাব।

হাসতে হাসতে আওলাদে মাও বলেন, রুপম ইসলাম নামক নখড়াবাজটিকে কুপাইতে পারলে ভাল হইত। কিন্তু সে মুসলমান, তাই তার গুটিবাজীর শাস্তি মালাউন হেমন্ত মুখপাধ্যায়কে দেওয়া হবে। মাইলস শিঘ্রই কলকাতায় গিয়া হেমন্তরে কিসাস করবে।

এ সময় উপস্থিত দর্শকরা হেমন্ত মুখপাধ্যায়ের মৃত্যু সংবাদ তুলে ধরলে আল্লামা আনু পুনরায় রাগারাগি করে বলেন, ভাল কাজে বাগড়া দেওয়ার জন্য আগে আগে মরিয়া গেল সালা। সুমন চট্টপাধ্যায়ের কি খবর, সে কি বাচিয়া আছে?

সুমন চট্টপাধ্যায় ইসলাম গ্রহন করে সুমন কবীর হয়েছেন শুনে আওলাদে মাও আরও রাগারাগি করে বলেন, তাইলে অঞ্জন দত্ত আর নচিকেতারেই কুপাব। এর মদ্যে মুসলমান হবি না খবরদার।

দর্শকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এলে লড়াকু কণ্ঠে আল্লামা আনু বলেন, একটি বেকারও যেন বেকার না যায়। হয় বাসদে ঢুক, নতুবা আমাদের জাতীয় কমিটির হইয়া খেদমত খাট, নয়ত জংগী হইয়া যাও। মানি ইজ নট এ প্রবলেম।

এ সময় মঞ্চে উপস্থিত বক্তা ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘নিখিল বাংলাদেশ জুনাইদ সংঘ’ এর নায়েবে আমীর জোনায়েদ সাকী আওলাদে মাওয়ের কানে কানে কিছু বলার পর তিনি নিজেকে সংশধন করে বলেন, একটু আগে ব্রাদারফাকার সাকার পুত্র হুকারে ডিবি ঘোচুর দল ধরিয়া লইয়া গেছে। মানি ইজ এ প্রবলেম নাউ। আপনারা সামনে কয়দিন একটু অল্প খাইয়া অভ্যাস করেন।

August 2, 2016

শেখের বেটীর কারনে সংসারে শান্তি নাই: ঘেঁটুপুত্র কাদেরা

নিজস্ব মতিবেদক

নিজের ভাগ্যের পাশাপাশি বাকশালের আমীর প্রধানমন্ত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা শেখের বেটী শেখ হাসিনার প্রতি দোষারপ করে ঘেঁটুনাগরিক শক্তির আমীর রংগবীর কাদের সিদ্দিকী ওরফে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেছেন, শেখের বেটীর কারনেই এই মধ্য বয়সে আসিয়া সংসার লইয়া বিপদে পড়িয়াছি। উনার কারনেই আমার সংসারে শান্তি নাই।

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়জিত এক সভায় ঘেঁটুপুত্র কাদেরা এ কথা বলেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী নাসরীন সিদ্দিকী তাঁর পাশে বসা ছিলেন।

নিজের ভাগ্যকে দোষারপ করে রংগবীর বলেন, বীর উত্তম আছিলুম। কিন্তু মাঝ বয়সে আতকা কুন জ্বিনে ধরল, চলিয়া গেলাম বৃহত্তর জামায়াতের দিগন্ত টিবিতে রাজাকারের পুটু চাটিতে। আমার স্ত্রী আমায় বাধা দিয়া বলছিলেন, শুন লম্বা গাধা, বীর উত্তম হইয়া তুমি রাজাকারের পুটু চাটিও না। উনার কথা না শুনিয়া আমি গলায় গামছা বান্ধিয়া বলিয়াছিলুম, শুন বাবুর মা কথা কম বলবা। রাজনীতীতে শেষ কথা বলিয়া কিছু নাই। আজ যা ডিম, কাল তাহাই মুরগী। আজ আমি বীর উত্তম, কাল হয়ত হব নিশানে পাকিস্তান। এইবার যাও ভাল করিয়া চিনি গুলাইয়া এক কাপ চা লইয়াস।

হুহু করে কেদে উঠে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, নিশানে পাকিস্তান ত দুরের কথা, দিগন্ত টিবির নিশানাই এখন আর নাই। রাজাকারদের ঘেটীতে শেখের বেটী ফাসি লাগাইয়া দিল। ঘরের লম্বা গাধা ঘরে ফিরিয়া আসতে গিয়া পাইলাম লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্জনা। বউ আমায় চক্ষু রাংগাইয়া বলল, সত্য করিয়া বল মিনসে তুই কি মুক্তিযুদ্ধা নাকি রাজাকারের ডিম?

এ সময় উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে গুঞ্জন উঠে। এক পর্যায়ে কাদের সিদ্দিকীর পাশে বসা বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার কুতুবে আমীর ডাক্তার এমাজুদ্দি একটি ১ টাকার মুদ্রা দিয়ে পাশে বসা আবদুল্লাহ আল নোমানকে “শাপলা না শেখ মুজিব” জিজ্ঞাসা করে বাজি ধরেন।

চক্ষু মুছে মেজাজঘন কণ্ঠে রংগবীর বলেন, আমি সালা GUN গলায় না ঝুলাইয়া যদি গান ঝুলাইতুম, বাকশালের মন্ত্রী হইতে পারতুম। কুথাকার কুন মমতাজ জিয়ার নামে গান গাইয়া আজ বাকশালের এমপি। চেস্টা করলে আমি কি জিয়ারে লইয়া দুটু গান বানতে পারতুম না?

আবেগ সংবরন করতে না পেরে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা এ সময় ‘জিয়া জ্বলে জাঁ জ্বলে’ বলে গুনগুন করে উঠলে ডাক্তার এমাজুদ্দি ও আবদুল্লাহ আল নোমান টেবিলে তাল দিয়ে তার সংগে গলা মিলান। এ সময় উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে পুনরায় গুঞ্জন উঠে।


পরীনীতী সিদ্দিকী

এক পর্যায়ে নিজেকে সামলে গলায় ঝুলান গামছা দিয়ে নিজের অশ্রু ও এমাজুদ্দির অশ্রু মুছে রংগবীর বলেন, দিগন্ত টিবি শাট ডাউনের পর পরই আমি বউরে গিয়া বললাম, বাবুর মা তুমি পরটা পরে ভাজিও, আগে গিয়া আপার সংগে দেখা করিয়া আস। উনাকে বলবা আমার দীর্ঘ মেয়াদী টাইফইড হইছিল, মাঝে কয়েক বছর কি উল্টুপাল্টা বলছি সেগুলি ধরার কুন দরকারই নাই। বাবুর মা বাবুরে নিয়া আপার সংগে দেখা করতে গেল। কিন্তু আপা দেখা দিলেন না। উহাদের ঘন্টার পর ঘন্টা বাইরে রইদের মধ্যে বহাইয়া রাখলেন। জাতির কাছে আমার প্রশ্ন, ইহা কি ঠিক হইল? টাইফইডের রুগীর ইস্ত্রীর সাথে ইহা কেমন বেবহার?

পুনরায় হুহু করে কেদে উঠে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, উপযুক্ত বউ অনেকেই পায় না। বীর উত্তম জিয়া পায় নাই। আমিও পাই নাই। তবে ভাল বউ পাইয়াছি। কিন্তু উপযুক্ত বউ যদি পাইতাম, তবে ঘটনা অন্যরকম হইত। উপযুক্ত বউরে শেখের বেটী গেটের বাইরে খাড়া করাইয়া রাখলে সে ফিরিয়া আসনের সময় ভবনের ইট খুলিয়া সংগে নিয়াসত।

পরীনীতী চোপড়ার একটি চিত্র স্লাইডের মাধ্যমে প্রদর্শন করে উতসাহঘন কণ্ঠে রংগবীর বলেন, হায়াত মউত শাদী আল্লাহর হাতে। আপনারা জবরদস্তি করলে না বলব না।

July 26, 2016

কেমনে বুঝব তারা জঙ্গী আছিল: হান্নান

নিজস্ব মতিবেদক

সোমবার দিবাগত রাত্র হতে মঙ্গলবার ভোর পযন্ত ঢাকার কল্যানপুরে চালানা পুলিশী অভিযান “অপারেশন ষ্টম ২৬”-এ নিহত ৯ জংগী প্রকৃত জংগী কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপির শাখার স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আপদ কালে বিজেপি নেতা অমিত শাহের ডাবল রোল বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, কেমনে বুঝব তারা জঙ্গী আছিল?

আজ পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ ফট জার্নালিষ্ট এশশিয়েশন মিলনায়তনে এক আলচনা সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সকালে ঘুম হতে উঠিয়া মনিং ওয়াক করিয়া বাসায় ফিরিয়া চা নাস্তা খাইয়া টিবিটা খুলিয়াই শুনলাম কল্যানপুরে পুলিশের হাতে ৯ জঙ্গী নিহত। শুনিয়াই বুঝলুম, ডাল মে বহুত কালা হায়। আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

সন্দেহঘন কণ্ঠে হান্নান শাহ বলেন, গুলশানে আছিল মাত্র পাচখান জংগী। তারা বুমা মারিয়া দুই পিস পুলিশ মারিয়ালাইল। দেশী বিদেশীও মারল বিশ পিস। কিন্তু রেব পুলিশ বিজিবি কুন সালা উহাদের গিয়া কানে ধরিয়া এরেষ্ট করার সাহস পাইল না। চিপায় খাড়াইয়া তারা সারা রাত গুজরান করিয়া দিল। জংগীরা আরামে রেষ্টুরেন্টে বসিয়া পিজ্জা পাস্তা পেটিস দিয়া সেহরী খাইল। আমি তখন মেডামকে মুঠফুন মারিয়া বললাম, মেডাম দেখিয়ে, ইয়ে হায় জংগী জেয়সা জংগী। চার পাচজন অন্দর মে পিজ্জা চাবা করতা, অর চার পাচ শ রেব পুলিশ বিজিবি বাহার মে ডরে কাপতা।

হাসতে হাসতে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সকালে সেনা বাহীনীর কমান্ডুরা আসিয়া টেংক কামান দিয়া পাচ পিস জংগীরে গুলিতে ঝাঝরা বানাইয়া বাইরে আনিয়া ফালাইল। কাজেই আমরা কি বুঝলাম? আসল জংগীরে পুলিশ দিয়া মারা সম্ভব নহে। উহার জন্য কমান্ডু লাগে। আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

পুলিশের প্রতি নিন্দাবাদ জানিয়ে হান্নান শাহ বলেন, পুলিশের হাতে এত বড় বড় বন্দুক কেনে? পুলিশের হাতে থাকবে লাঠি, মুখে থাকবে বাশি। তাহারা ছিচকা চোর পাকড়াও করিবে, রিকশাওলার মাজায় বাড়ি দিয়া মাঝে মধ্যে দশ বিশ টেকা ঘুষ খাইবে। হলিউডি বন্দুক হাতে ঘুরে এ কেমন পুলিশ?


হান্নান সেনা বাহীনীতে ছিল, সব বুঝে

স্মৃতিঘন কণ্ঠে হান্নান শাহ বলেন, একাত্তরের রেম্ব জিয়াউর রহমান ও পল্লীবন্ধু এরশাদের আমলে আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি। প্রকৃত জংগীরা হয় সবল, সুঠাম, সটান। পুলিশের হাতে গুলি খাইয়া কুন প্রকৃত জংগী ইন্তেকাল ফরমাইতে পারে না। অতএব কল্যানপুরের ৯ মুর্দা জংগী হতে পারে না। হয়ত উহারা পুলিশের উপর গ্রেনেড মারছে। হয়ত উহারা পুলিশের উপর গুলি চালাইছে। হয়ত উহারা জংগী বেনার ও জংগী লেবাস পড়িয়া একশনে গেছে। কিন্তু এইসব করলেই উহাদের জংগী বলিয়া চালাইয়া দিলে আমরা মানব না। জুয়ান বয়সে পুলিশের গায়ে একটু গ্রেনেড একটু গুলি কে না মারে? আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

পুলিশের প্রতি রাগারাগি করে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সালারা রাত বিরাতে গিয়া বাড়ির দরজা বাইড়াও কেনে? যে কুন ভদ্রলুকই ত রাত্রকালে পুলিশ আসিয়া দরজা বাইড়াইলে গ্রেনেড মারবে, গুলি চালাইবে। আমার বাড়িতে কুনদিন রাত্রকালে আসিয়া দরজা বাইড়াইলে আমি ষ্টোররুমে মজুদ করা সব কয়টি আর্জেস গ্রেনেড ফিক্কা মারব আগেই বলিয়া রাখলুম।

কল্যানপুরে নিহত ৯ যুবকের সংগে গুলি বিনিময়ের নিন্দা জানিয়ে হান্নান শাহ বলেন, উহারা নাহয় গুলি গ্রেনেড মারল, তাই বলিয়া তুমরাও পাল্টা গুলি চালাইবা কেনে? মাইকে ভলিউম বাড়াইয়া এস আই টুটুলের “ফিরে আয় খোকা” ছাড়লেই ত উহারা সুন্দর নিচে নামিয়া দরজা খুলিয়া দিত। সালা ঘোচুর দল গানের বদলে GUN চালাও কেনে?

%d bloggers like this: