July 18, 2016

জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভুমি: ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর হতাশা বেক্ত করে বিএনপি শাখার ভাঁড়মুক্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বলেছেন, আর ভাল লাগে না।

আজ লনডনে আরাম দায়ক বিলাস বহুল এক হোটেল কক্ষে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাগারাগি করে আগুনগীর বলেন, এতদিন আছিলুম ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর। এখন ভাঁড়মুক্ত হইয়া আমার পুনজন্ম হইল। কিন্তু জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভুমি।

কারও নাম প্রকাশ না করে ইংগিতে ফখা ইবনে চখা বলেন, গত মাসে অষ্টেলিয়ায় কন্যার কাছে বেড়াইতে যাব বলিয়া ছুটকেছ গুছাইতেছিলুম, এমন সময় আতকা লনডন হতে একটি মিসকল আসিল। আমি পাল্টা কল দিয়া সালাম দিয়া বললাম, ছার কাইফা হালুকা? বিবিসাবের শইলডা ভালা? জবাবে প্রভাবশালী এক বেক্তি আমায় বলল, হাইড এন্ড সিক মির্জাফখ সাহেব, মারহাবা। আপনি ভাঁড়মুক্ত নায়েবে আমীর হইছেন, এই উছিলায় আপনারে খাওয়াইতে চাই। জুলাই মাসের এক তারিখে আপনি তারাবীর নামাজের পর গুলশানের হলি আটিজান বেকারীতে গিয়া ইচ্ছামত খাদ্য ভক্ষন করেন, বিল যা উঠে আমি বাকী ফালাব। পিজ্জা পাস্তা পেটিস সব আমার তরফ হইতে। আপনি শুদু যাইবেন আর খাইবেন। তবে এই অফার সিমিত সময়ের জন্য।


জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’

হুহু করে কেদে উঠে আগুনগীর বলেন, তখনই মনে খটকা লাগায় আমি আর এই অফার কামে না লাগাইয়া চলিয়া গেলুম অষ্টেলিয়া আমার কন্যার বাড়ি। দুসরা জুলাই দুপুর বেলা রোজা পেটে শুইয়া শুইয়া মকসেদুল মুমেনিনের মলাট লাগাইয়া মাসুদ রানার ‘মুল্য এক কুটি টেকা মাত্র’ বইখানি পড়তেছিলুম, আতকা আমার কন্যা মির্জা তানিয়া ও পুত্র মির্জা সুমন আসিয়া আনন্দে চিক্কুর দিয়া বলল, আব্বা আব্বা ঢাকার রাস্তায় টেংক নামছে।

অশ্রু মুছে ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি বলেন, আনন্দে আমি তখন নাচতে নাচতে রবী ঠাকুরের গানে অষ্টেলিয়ার ফ্লেবার দিয়া গান ধরিলাম, হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে কেংগারুর মত নাচে রে। ঢাকার রাস্তায় টেংক নামা মানে শেখের বেটীর দফারফা। অর্থাত আবার আমরা গদিতে। আর এইবার যেহেতু ভাঁড়মুক্ত নায়েবে আমীর পদে প্রমুশন পাইয়াইলাইছি, স্বাস্থ্য বানিজ্য যোগাযোগ ইত্যাদি বড়লুকি মন্ত্রনালয় আমার পাওনা। নাচতে নাচতে বাবুর মারে ডাক দিয়া বললাম, ও গ মকসেদুল মুমেনিনটা দিয়া যাও, নফল নামাজের তরিকাটি দেখি। আর ইফতারের নাস্তায় কেংগারুর দপেয়াজা আর এমু পাখীর কোরমা রান্ধ। আজ ফির জিনে কি তামান্না হায়। জামাতা মির্জা ফরমানরে হাতে একশ ডলার দিয়া বললাম, যাও বাবাজী বাজার সদাই করিয়া আন।

আবেগঘন কণ্ঠে আগুনগীর বলেন, কিন্তু আমার সাজান বাগান শুকাইয়া গেল, যখন দেখলাম, টেংক শেখের বেটীর কুন ক্ষয়ক্ষতি না করিয়া গুলশানের হলি আটিজানে গুতাগুতি করিতেছে। তারপর টিভি রেডিউ ফেসবুক অনলাইন রিবিশন দিয়া জানতে পারলাম, হলি আটিজানে বাদ তারাবী জংগী হামলা হইছে। আমার গদির স্বপন খানখান ত হইলই, বাজার হইতে জামাতা ঘোচুটি কেংগারুর বদলে ওয়ালাবী আর এমু পাখীর বদলে গলাছিলা মুরগী আনিয়া হাজির হইল। ঢাকার খবর শুনিয়া জামাতা সালা আমার সংগে বাজার লইয়া উলটা রাগারাগি করিয়া বলল, সংসদের বাইরে বসিয়া রাজনীতী করলে ওয়ালাবী আর গলাছিলা মুরগী হইতে বেশী কিছু আশা করিয়েন না। কেংগারু খাইতে চান ত আগে মন্ত্রী হইয়া দেখান। আর এই সব রবী ঠাকুরের হিন্দুয়ানী গান হামারা মকান মে নাহি চলেগি। আনন্দে গান গাইতে হইলে নুসরাত ফতে আলীর কাওয়ালী গান।

কোন নাম প্রকাশ না করে ফখা বলেন, বহু আন্দুলন সংগ্রামের পর ভাঁড়মুক্ত নায়েবে আমীর হইলাম। কিন্তু প্রভাবশালীরা এমন আচরন করলে কেমনে চলিব?

হুহু করে কেদে উঠে আগুনগীর বলেন, আমার পাস্তাও গেল নাস্তাও গেল।

July 17, 2016

গিয়াসের বাচ্চার কারনে ফাসিয়া গেলুম: নর্থ-সাউথ উপাচার্য আতিকুল

নিজস্ব মতিবেদক

মাত্র পাচ দিন পুর্বে বিশ্ববিখ্যেত নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বসুন্ধরা কেম্পাসের সম্মেলন কক্ষে শত শত সাংবাদিকের সামনে বুক ফুলিয়ে জংগীবাদের অভিযোগ অস্বিকার করার পর আজ গুলশান হামলায় অংশ গ্রহন কারী জংগীদের গোপনে বাসা ভাড়া দেওয়ার অপরাধে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য গিয়াস উদ্দিন আহসান, তার ভাগ্নে আলম চৌধুরী ও বাড়ির মেনেজার মাহবুবুর রহমান তুহিন গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় অভিমান প্রকাশ করে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আল্লামা আতিকুল ইসলাম বলেছেন, সপ্তা না ঘুরতেই সালা গিয়াসের বাচ্চার কারনে ফাসিয়া গেলুম।

এর আগে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে জংগীবাদের সরাসরি সম্পর্ক অস্বিকার করে উপাচার্য আল্লামা আতিকুল বলেছিলেন, নর্থ-সাউথের ছাত্রের আকাম কুকামের দায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর চাপান ঠিক নয়।

আজ উপ-উপাচার্য গিয়াস উদ্দিন আহসান গ্রেফতার হওয়ার পর এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে উপাচার্য আতিকুল বলেন, আপনাদের খেয়াল আছে, এর আগে আমি বলেছিলুম, দুই-চারটা ছাত্র গুলাগুলি কুপাকুপি করলে হাম লগ দায় নেহি লেংগে। বলেছিলুম কিনা?

উপস্থিত সাংবাদিকরা সবাই সায় দিলে আবেগঘন কণ্ঠে আল্লামা আতিকুল বলেন, আপনাদের খেয়াল আছে, এর আগে আমি বলেছিলুম, আমরার বিশ্ববিদ্যালয়ে এক একটা পুলাপান সপ্তায় ৯ হতে ১২ ঘন্টা কাটায়। অতছ সপ্তায় সব মিলাইয়া ঘন্টা আছে ১৬৮ খান। অবশিষ্ট ১৫৬ হতে ১৫৯ ঘন্টা তারা জংগীবাদের পিছে বেয় করলে হামারা কেয়া কসুর? উহাদের কি বাড়িতে বাপ মা নাই? তাহারা ইন্টারনেটে বসিয়া জংগী হইতে পারে। একে অপরের বাসায় বসিয়া জংগী হইতে পারে। আমরার লাইব্রেরী কিংবা প্রেয়ার রুমে বসিয়া জংগী হইতে পারে। আমি সালা একটা মাত্র উপাচার্য হইয়া হাজার হাজার পুলাপানের শত শত প্রাইভেট ঘন্টা কিরুপে পাহারা দিব? বলেছিলুম কিনা?

উপস্থিত সাংবাদিকরা সবাই সায় দিলে অশ্রু মুছে আল্লামা আতিকুল বলেন, আপনাদের খেয়াল আছে, এর আগে আমি বলেছিলুম, রাজীব হায়দরের খুনীদের আমরা আলর বেগে বহিস্কার করিয়া হাত ধুইয়া ফালাইয়াছিলুম। ভুদাই তরুনীদের হৃদয়ের রাজা নিবরাস ইসলাম মাত্র তিনটি সেমিস্টার আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বেয় করে। সে বাকি যা কিছু শিখছে সবই মালয়শিয়া গিয়া। আর চুলকম হাসনাত করিমের কথা আর কি বলিব, সে আমরার এইখানে চাকুরীতে ইস্তফা দিয়া বাপের বিজনেশের হাল ধরিয়াছিল। একমাত্র আবির রহমান নামের জংগীটিকে আমরা অস্বিকার করতে পারতেছি না, সে আমাদের টাটকা তালেব। তবে যদি অস্বিকার করার কুন উপায় পাইতুম, খাড়ার উপর অস্বিকার করিতুম। বলেছিলুম কিনা?


উপাচার্য আতিকুলের মন ভাল নাই

উপস্থিত সাংবাদিকরা সবাই সায় দিলে হুহু করে কেদে উঠে উপাচার্য আতিকুল বলেন, আর আপনারাও আমার সেই মিষ্ট মিষ্ট কথায় পটিয়া কেক ও রুহু আপজা খাইয়া বিদায় হইয়াছিলেন। হইয়াছিলেন কিনা?

উপস্থিত সাংবাদিকরা সবাই সায় দিলে টেবিলে কিল মেরে আল্লামা আতিকুল চিতকার করে কেদে উঠে বলেন, সবকিছু যখন সাজাইয়া গুছাইয়া মেনেজ করিয়ালাইলুম, তখনই চোদনা গিয়াস পুলিশের হাতে ধরা খাইল। এমন আবাল প্রভিসি লইয়া শান্তিমত জংগীবাদ করা যায়? বলেন আপনারা, যায়?

টাই তুলে চোখ মুছে উপাচার্য আতিকুল বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের আরামদণ্ড পাওয়া খানকির পুলায়ে আমীর অধ্যাপক গোলাম আজমের ভাগিনা আবুল হক, দুই পুত্র সেনা বাহিনী হতে বহিস্কৃত বিগ্রেডিয়ার আবদুল্লা হিল আমান আজমী ও সাদমান আজমী আর ফাসি খাওয়া খানকির পুলায়ে আমীর মতিউর রহমান নিজামীর পুত্র নাদিম তালহাও আমরার এইখানে শিক্ষকতা করছে। কুন সমস্যা হয় নাই। অতছ আজ এই প্রভিসি গিয়াসের কারনে আমি মাইনকা চিপায় পড়িয়া গেলুম।

এক গ্লাশ হরলিকস পান করে শক্তি ফিরে পেয়ে আল্লামা আতিকুল বলেন, দেখেন আমরা একে অপরকে চিনি জানি বুঝি। নতুন অজুহাত আবিস্কার করিতে গিয়া নতুন বিপদে পড়তে চাই না।

প্রভিসি গিয়াসের বেপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান বেখ্যা করে উপাচার্য বলেন, আমরার বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন প্রভিসি সপ্তায় ৯ হতে ১২ ঘন্টা কাটায়। অতছ সপ্তায় সব মিলাইয়া ঘন্টা আছে ১৬৮ খান। অবশিষ্ট ১৫৬ হতে ১৫৯ ঘন্টা সে জংগীদের বাড়ি ভাড়া দেওনের পিছে বেয় করলে হামারা কেয়া কসুর? উহার কি বাড়িতে বাপ মা নাই? সে ত ইন্টারনেটে বসিয়াই জংগী হইতে পারে। আমি সালা একটা মাত্র ভিসি হইয়া প্রভিসির শত শত প্রাইভেট ঘন্টা কিরুপে পাহারা দিব?

প্রশ্ন করে আর তকলিফ না দিয়ে বক্তব্য ছাপিয়ে আপাতত রেহাই দেওয়ার অনুরোধ করে আল্লামা আতিকুল বলেন, প্রশ্নগুলু সহজ আর উত্তরও ত জানা। তাই আপাতত কেক ও রুহু আপজা খাইয়া আপনারা যে যার মহাজনের কাছে ফিরত যান।

তিনি নিজে কোনরুপ জংগীবাদী কার্যকলাপের সাথে জড়িত কিনা, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে রহস্যময় হেসে উপাচার্য আতিকুল বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে সপ্তায় ৯ হতে ১২ ঘন্টা কাটাই। অতছ সপ্তায় সব মিলাইয়া ঘন্টা আছে ১৬৮ খান। অবশিষ্ট ১৫৬ হতে ১৫৯ ঘন্টা কি করি, বুঝেনই ত।

July 9, 2016

ওস্তাদের নির্দেশে আইএসরে গালি দেই: জোকাই লামা

সৌদি মতিবেদক আল বাংগালী

বাংলাদেশে গুলশানের কুটনৈতিক পাড়ায় অবস্থিত হলি আটিজান বেকারী ও শোলাকিয়ার ঈদগাহ ময়দানের নিকটে জংগী হামলার ঘটনায় আইএসের প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন করে উপমহাদেশের প্রখ্যেত ইসলাম বেবসায়ী ও পিশ টিভির আমীর জোকাই লামা বলেছেন, অতীতে আমি যেসব জংগীপনার আহোভান জানাইছি, বর্তমানে তা সকলই ভুলিয়া যাইতে হবে। অতীতের যাকির নায়েকের পাপের জন্য বর্তমানের জোকাই লামাকে কুন প্রকারে হয়রানি করা চলিবেক না।

পবিত্র মক্কা নগরীতে অবস্থিত এক আরাম দায়ক বিলাস বহুল হোটেল কক্ষে বসে মতিকণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে আবেগঘন কণ্ঠে জোকাই লামা বলেন, অতীতে যে আছিল নিজাম ডাকাত, বাটে পড়িয়া সে বেক্তি নিজামুদ্দি আউলিয়া হইয়াছিল। অতীতে যে আছিল শুয়াপুকা গোরখোদক ফালু, গুটি কাটিয়া সে বেক্তি প্রজাপতি মোসাদ্দেক আলী রুপে বাইর হইয়াছিল। আমিও আছিলাম যাকির, হইলাম জোকাই। এরুপ ঘটনা হরহামেশা ঘটিতেছে। নিজামুদ্দি আউলিয়ারে কুন শালার পুতে ডাকাতির দায়ে ফাসি দিতে চায় কুনদিন? তাহলে অতীতের জংগীপনায় তাল দিবার পাপে আমায় কয়েদ খাটাইতে চাও কেনে?


গ্রীষ্মকাল

সাক্ষাতকারের এক পর্যায়ে অতীতের বেশ কিছু সিডি-ডিভিডি প্রদর্শন করে জোকাই লামাকে জংগীবাদে তাঁর উসকানির নমুনা দেখান হলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ইশশ ছুটকালে কত্ত খবিশ আছিলুম। এখন আমি শান্তির পথে আছি। হে তরুন এস শান্তির কাফেলায়। নিজে শান্তিতে থাক আমারেও শান্তিতে ডলার কামাইতে দেও।

কিন্তু মতিবেদকের চাপাচাপিতে এক পর্যায়ে জোকাই লামা দোষ স্বীকার করে নিজের আচরনের বেখ্যা দিয়ে বলেন, ওস্তাদের নির্দেশে আইএসরে গালি দিতেছি। দিনকাল একটু খারাপ যাইতেছে। হাওয়া বদলাইলেই সেলিম ওসমানের নিকট হইতে তেল হাওলাত আনিয়া আইএসের পুটুতে পুনরায় মাখাইব।

ওস্তাদের পরিচয় জানতে চাইলে রহস্যময় হেসে জোকাই লামা বলেন, বুঝেনই ত।

হাসতে হাসতে জোকাই লামা বলেন, বাংলাদেশে টিভির অনুষ্ঠানের মান এত খারাপ যে পুলাপান বিনুদনের জন্য পিশ টিভি দেখে। কুটি কুটি লুকের মধ্যে দুই চারশত বুকাচুদা যে সত্যই আমার কথায় পটিয়া জংগী হইয়া যাইবে, আগে বুঝি নাই। বুঝলে সানি লিওনিকে অপহরন করিয়া আমার কার্যালয়ে জমা দেওয়ার আহোভান জানাইতাম।

ভারতের রাজ্য মহারাষ্ট্রের পুলিশকে নিজের কার্যালয়ে হাত লাগাতে মানা করে হুশিয়ারী জানিয়ে জোকাই লামা বলেন, আমার কার্যালয়ে মিয়া খলিফার কুন ডিভিডি পাওয়া গেলে উহার জন্য আমায় দায়ী করা যাইবেক না।

December 10, 2015

আবারও আলাল কেলেংকারীতে বিএনপি শাখা

নিজস্ব মতিবেদক

আবারও আলাল কেলেংকারীতে নিজেকে জড়িয়েছে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখা।

এবার আলাল কেলেংকারীতে মুখ্য ভুমিকা পালন করেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে খারিজি, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির বিলায়েত বিষয়ক সাবেক উপদেস্টা সাবেক পর রাস্ট্র সচিব ও মনির পুড়ান আন্দুলনের অন্যতম কর্নধার আল্লামা মেজর (অব.) শমশের মবিন চৌধুরী।

আলাল কেলেংকারীতে গুলশান থানার এসআই গিয়াস উদ্দিন ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল শমশের মবিন সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৭ জুন বৃহত্তর জামায়াতের হরতাল চলাকালে মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকায় তৎকালীন বিএনপি শাখার নায়েবে খারিজি শমশের মবিনসহ দলের শতাধিক কর্মী পুলিশের কাজে বাধা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে।

হানাহানা কাটাকাটি মারামারির এক ফাকে নিরালায় একলা পেয়ে কাজী আলাল নামে এক পুলিশ কনষ্টেবলের উপর ঝাপিয়ে পড়েন শমশের মবিন চৌধুরী। ধস্তাধস্তির সময় তিনি আলাল কনষ্টেবলকে কঠর আলিংগন করলে তার জিভ বের হয়ে যায়।

এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মোহাম্মদ আলী নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন।


আলাল নিপিড়ক শমশের মবিন

এ মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানীতে শমশের মবিনের আইনজীবী জয়নাল আবেদীন মেছবা বলেন, আমার মক্কেল পাকিস্তানের কাকুল একাডেমী হতে গ্রেজুয়েট করা কমান্ডো অফিসার আছিলেন। দুম্বার গুস্ত ও গমের পরটা খাইয়া উনার অভ্যাস। তিনি ঐ ননীর পুতুল আলাল কনষ্টেবলকে আলিংগন করলে আলাল গুড়া গুড়া হইয়া যাইত। আর মারামারি হানাহানি কাটাকাটির সময় আলাল নিরালায় কি করতেছিল? নিশ্চয়ই উহার মনে পাপ আছিল। কিংবা উহার জামা কাপড় ঠিক আছিল না। মোট কথা আমার মক্কেলরে হুদাই দিষ্টাপ দেওয়া হইতেছে। উনি এখন অবসর লইয়া অবসর মবিন চৌধুরী হিসাবে সৎ ও পরিচ্ছন্ন জীবন যাপন করতেছেন, এর মধ্যিখানে কে হায় হৃদয় খুড়ে বেদ্না জাগাতে ভালবাসে?

তিনি হাকিমের সামনে শমশের মবিনের একটি ছবি উপস্থাপন করে বলেন, দেখুন ধর্মাবতার, আমার মক্কেলের ছবিটি দেখুন। উনি বড়জুর আলাল কনষ্টেবলকে চিমটি দিতে পারেন কিংবা বুংগি বাজাইতে পারেন। তাছাড়া এক হাতে কি আলিংগন বাজে? মামলা যদি চালাইতেই হয়, তাহলে সেই দুশ্চরিত্র আলালের বিরুদ্ধেই চালান হক।

এ বেপারে কনষ্টেবল কাজী আলালের সংগে যোগাযোগ করার চেস্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

গুলশান থানায় কর্তব্যরত এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতিকণ্ঠকে বলেন, বৈঠকখানায় যে ভদ্রলুক, ময়দানে গিয়া রাজনীতীর জুশে সেই হয়ত ককটেল মারিয়া হাত বেদ্না করে। সামনে আলাল পাইলে বিএনপি শাখার নেতাগুলু পুরা পাগলা হইয়া যায়। কে কি করে তার নাই কুন ঠিক। কনষ্টেবল আলালের উচিত নাম পাল্টাইয়া ফেলা।

শমশের মবিন চৌধুরীর গায়ের জোরের নিন্দা করে কর্মকর্তা বলেন, পাষান একটা।

এর আগে ২০১৩ সালে কারাগারে আরাম দায়ক বিলাস বহুল ডিভিশন কক্ষে কতৃপক্ষ কতৃক নিয়জিত সেবক আলালের সংগে বলপুর্বক সেক্স করে বাংলার রাজনীতীতে আলাল কেলেংকারীর সুচনা করেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার সমকামী নায়েবে আমীর রাউজানের রসপুটিন সদ্য ফাসি খাওয়া ব্রাদারফাকার সাকা।

এ ছাড়া বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে ঘিরেও আলাল কেলেংকারীর কানাঘুষা শুনা গেছে

%d bloggers like this: