Archive for November, 2012

November 30, 2012

কারাগার কর্তৃপক্ষের সংগে চুক্তি করতে চায় বিজিএমইএ

নিজস্ব মতিবেদক

পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ কারাগার কর্তৃপক্ষের সংগে চুক্তি করতে আগ্রহী।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএর সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এ আগ্রহের কথা জানান।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আশুলিয়ায় তাজরিন ফেশনসে আগুন লেগে কিছু লেবার মরে গেছে। তারা ছিল আল্লাহর মাল। আল্লাহ তাঁর মাল ফিরত নিয়েছেন। পোশাক বেবসায় মাল ফিরত নেওয়া একটি স্বাভাবিক ঘটনা। ক্রেতারা অভিযোগ করলে আমরাও মাল ফিরত আনি। তারপর আবার নতুন মাল পাঠাই। তাজরিন ফেশনসের জন্য আল্লাহও আবার নতুন মাল পাঠাবেন। আল্লাহর রহমতে দেশে আল্লাহর মালের অভাব নাই।

সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন মিডিয়ার প্রতি অভিযোগ করে বলেন, মিডিয়া বেশি বাড়াবাড়ি করছে। তারা লাশের ছবি দেখাচ্ছে। আমার ছুট ছেলে সেই ছবি দেখে ভয় পেয়ে রাতে দুদুভাত খায় নাই। এই যে আমার ছেলেকে তারা ভয় দেখাল, কেন দেখাল?

সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, টেলিভিশন সিনেমায় সবকিছু সরাসরি দেখান যায় না। চুদাচুদির সিন বুঝানর জন্য দুইটা ফুল একটা আরেকটার গায়ে বাড়ি খাচ্ছে, এমন সিন দেখান হয়। রেপ ধর্ষন বলাতকার বুঝানর জন্য বজ্রপাতের সিন দেখান হয়। মিডিয়া লেবারদের লাশের ছবি না দেখিয়ে ষ্টার কাবাবের কড়াইয়ের সিন দেখাতে পারত। তাহলে আমার ছেলেটা রাতে দুদুভাত খাইত।

আবেগঘন কণ্ঠে মহিউদ্দিন বলেন, মিডিয়ার কারনে পথে ঘাটে তো বটেই, নিজের বাড়িতেও লোকজন আমাদের খানকির পুলা মাদারচুদ ছাড়া কথা বলে না। তাজরিন ফেশনসকে কমপ্লায়েন্ট বলায় আমার বৃদ্ধ দাদী আমায় মুঠোফোন মেরে খানকির পুলা ও মাদারচুদ বলেছেন। মিডিয়ার কারনে আমি আপন দাদীর গালি খাইলাম।

কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে মহিউদ্দিন বলেন, রাস্তা ঘাটে লোকজন এসকিডেন্ট করে মরে। কেউ কুন ক্ষতি পুরন দেয় না। আমরা বলছি আমরা লাখ টাকা ক্ষতি পুরন দিব। তারপরও মিডিয়া শত্রুতা করে।

সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, সবাই খালি আগুনে পুড়ে মরার কথাই বলে, কিন্তু আমাদের সিকিউরিটির কথা কেউ বলে না। এই যে এত বড় একটা আগুন লাগল, তবুও কুন মাল আমরা চুরি যাইতে দেই নাই। আমাদের পোশাক কারখানার সিকিউরিটি বাংলাদেশ বেংকের ভল্টের সিকিউরিটির মত।

হন্ডুরাসের কারাগারের উদাহরন দিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, হন্ডুরাসের কারাগারে ৩৬১ জন আগুনে পুড়ে মারা গেছে। আর আমাদের কারখানায় পুড়ে মারা গেছে মাত্র ১১২ জন। আপনারাই বলেন, হন্ডুরাসের কারাগারের চেয়ে আমাদের কারখানা ভাল না খারাপ?

অচিরেই কারাগার কর্তৃপক্ষের সংগে চুক্তি করে পোশাক কারখানায় কারাবন্দীদের নিয়োগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন জানিয়ে মহিউদ্দিন মিডিয়ার উদ্দেশে বলেন, খারাপ খারাপ কথা না বলে মানুষের ভাল করুন, তার ভাল দিক নিয়ে রিপুট করুন। টেকাটুকা লাগলে, টেকাটুকা দিব। লাইনে আসুন।

November 27, 2012

এই নাশকতা ফখা আলমগীরের কাম: মখা আলমগীর

নিজস্ব মতিবেদক

মালয়েশিয়ার প্রমোদ ভ্রমন সেরে দেশে ফিরে তাজরিন ফেশনসে প্রমোদ ভ্রমনে গিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মখা আলমগীর বলেছেন, এই নাশকতা ফখা আলমগীরের কাম।

আজ তাজরিন ফেশনসের কারখানায় ধ্বংস স্তুপের পাশে দাঁড়িয়ে মখা এ কথা বলেন।

মখা আলমগীর বলেন, জ্বালাও পোড়াও মানেই বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ফখা আলমগীর। এই লোক প্রধান মন্ত্রীর অফিসের সামনে বাস পোড়ায়, প্রধান মন্ত্রীর অফিস থেকে দুরে কারখানা পোড়ায়, আর বাড়িতে ভুট্টা পোড়ায়। দেশে আগুন লাগিয়ে আলু পোড়া খাওয়াই ফখা আলমগীরের একমাত্র কাজ। কাজেই তাজরিন ফেশনসে আগুন লাগানও তারই কাম।

আবেগঘন কণ্ঠে মখা বলেন, সব ফখার নাশকতা। সে আলমগীর নামের কলংক।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, প্রধান মন্ত্রী বলেছেন ইহা নাশকতা। কাজেই ইহা নাশকতা। তদন্ত করে আমরা বের করব ইহা নাশকতা। তদন্ত করে আমরা বের করব ইহা ফখা আলমগীরের নাশকতা।

মখা আলমগীর আগুনে দগ্ধ কারখানার একতলা ও দ্বীতিয় তলা পরিদর্শন করেন। তৃতীয় তলায় উঠতে অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার শিরায় শিরায় গিরায় গিরায় বেথা। তিন তলায় আমি লিফট ছাড়া উঠব না।

উপস্থিত সাংবাদিকরা তৃতীয় ও চতুর্থ তলা ঘুরে দেখার চাপাচাপি করলে মখা আলগমীর বলেন, তাহলে আপনারা আমায় কুলে করে উঠান।

উপস্থিত সাংবাদিকেরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে কোলে তুলতে অস্বীকৃতি জানালে মন্ত্রী চাপাচাপি করতে থাকেন ও বলেন, কুলে উঠব কুলে।

নাশকতার অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, উই ডিড নট স্টার্ট দি ফায়ার ইট ওয়াজ অলওয়েজ বার্নিং সিন্স দি ওয়ার্ল্ড হেজ বিন টার্নিং।

November 24, 2012

বিচ প্লিজ: ফখরুল

নিজস্ব মতিবেদক

সিংগাপুর হতে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়ার অপর সন্তান আরাফাত কোকোর পাচার করা ১৩ কোটি টাকা ফিরত আনা প্রসংগে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিচ প্লিজ।

শুক্রবার সকালে এক বিএনপি কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই ১৩ কুটি টেকা ফিরত আনা বাকশালী সরকারের ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উত্তরাধিকারী তরুন নেতৃত্ব বড় গনতন্ত্র তারেক জিয়ার অংগহানী করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা তাঁর চরিত্র হননের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা বেগম খালেদা জিয়ার অপর সন্তান ছোট গনতন্ত্র আরাফাত কোকোর চরিত্রের পুটুতেও আংগুল দিয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার আরেকটি সন্তান থাকলে হয়ত তার নামেও বাকশালীরা কলংক লেপনের চেষ্টা করত।

আবেগঘন কণ্ঠে মির্জা ফখরুল বলেন, যা কিছু আমীরে আওরতের কুক্ষি থেকে বের হয়েছে, বাকশালীরা তার বিরুদ্ধে।

মির্জা ফখরুল সিংগাপুর সরকারের প্রতি হুমকি দিয়ে বলেন, বাকশালী সরকারের সাথে ষড়যন্ত্রে হাত মিলিয়ে আপনারা ১৩ কুটি টেকা ফিরত দিয়ে কাজটা ভাল করলেন না। ক্ষমতায় গিয়ে আমরা এর বদলা নিব। আপনারা ভদ্র বেবহারের মুল্য দিতে জানেন না। মুল্য দিতে জানলে আমরা ভবিষ্যতে সিংগাপুরে আরও টেকাটুকা পাচার করতাম। কিন্তু আপনাদের এই আচরনের পর তা করার প্রশ্নই আসে না। আমরা আবার ক্ষমতায় গেলে সিংগাপুরকে ভাতে মারব, পানিতে মারব।

সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ফখরুল বলেন, তারা আমায় মিস কোড করেছে। তারা লিখেছে আমি নাকি তারেক জিয়াকে দেশনায়ক বলেছি। এ কথা সত্য নয়। আমি বলেছি, আমি দেশনায়ক। আমার চেহারা নায়কদের মত। তারেক জিয়ার চেহারা কিং কং এর মত। নায়ক হওয়ার যোগ্যতা একমাত্র আলমগীরদেরই থাকে। আমার কথা বিশ্বাস না হলে আপনারা পথে ঘাটে যে কাউকে নায়ক আলমগীরের কথা জিজ্ঞাসা করে দেখতে পারেন।

১৩ কোটি টাকা ফিরত আসায় বড় গনতন্ত্র বা ছোট গনতন্ত্রের কোন সমস্যা হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, বিচ প্লিজ। হাজার হাজার কুটি টেকা মেরেছি আমরা। ১৩ কুটি টেকা আমাদের চান রাইতের খোরাক।

November 21, 2012

আরে ধুত্তেরি ফিলিস্তিন: ইউনূস

নিজস্ব মতিবেদক

মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের পররাস্ট্র মন্ত্রী হিলারি রডহাম ক্লিনটনের সংগে কণ্ঠ মিলিয়ে বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ড. মুহম্মদ ইউনূস বলেছেন, আরে ধুত্তেরি ফিলিস্তিন।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনূস এ কথা বলেন।

ইউনূস বলেন, ফিলিস্তিন ১৯৪৮ সাল থেকেই সভ্য বিশ্বের মুখে কলংক স্বরুপ। তারা সন্ত্রাসী। শুধু সন্ত্রাসীই নয়, তারা উজবুকও বটে। ইসরাইলের সংগে তারা পাংগা নিতে চায়।

হিলারি রডহাম ক্লিনটনকে সমর্থন করে ইউনূস বলেন, আমার বাল্য বন্ধু হিলারি বলেছে, ফিলিস্তিনকে ইসরাইলে রকেটবাজি বন্ধ করতে হবে। আমিও বলি, ফিলিস্তিনকে এই বর্বর সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে।

ফিলিস্তিনের ময়লা পুটু ভেংগে দাও গুড়িয়ে দাও: ইউনূস

আবেগঘন কণ্ঠে ইউনূস বলেন, বিশ্বে টেকাটুকা এখন সব ইয়াহুদিদের হাতে। সৌদী বাদশার টেকাও ইয়াহুদিদের বেংকে জমা রাখা। তাদের সংগে শুধু শুধু শত্রুতা করলে লস। তার উপর আমি করি বেংকের বেবসা। ইয়াহুদিদের সাথে সকাল বিকালে চা সিংগারা খাই আমি। তারা কেউ ফিলিস্তিনকে ভালবাসে না।

ফিলিস্তিনে বোমা হামলা চালু রাখার অনুরোধ করে ইউনূস বলেন, নেতার মত নেতা আমাদের নেতানিয়াহু। তাকে আমি ফ্রেন্ডস অফ গ্রামীনে যোগ দিতে আমন্ত্রন জানাব।

ইসরাইলের বোমা হামলায় নিহত ফিলিস্তিনি শিশুদের বেপারে ইউনূস বলেন, ফিলিস্তিনে গ্রামীন বেংক নাই, শক্তি দই নাই, শিশুরা ত মরবেই। আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে, কান্না করে কি লাভ?

ইসরাইল ও ফিলিস্তিনকে আলোচনার টেবিলে বসার ডাক দিবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইউনূস বলেন, কিসের আলোচনার টেবিল? এ কি জামায়াতে ইসলামী আর আওয়ামী লীগ সরকার নাকি? ঐসব আলোচনার কথা বলে মজিনা ফায়ারফক্স। কোন আলোচনা নাই। বোমা মেরে ফিলিস্তিনের পুটু গুড়া গুড়া করে দিতে হবে।

%d bloggers like this: