Archive for March, 2013

March 31, 2013

কমিটির সভাপতিকে নিয়ে আল ইহসান সম্পাদকের অসন্তোষ

ইসলামী মতিবেদক

ব্লগ ও ফেসবুকে ইসলাম ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে অপপ্রচারকারীদের শায়েস্তার লক্ষে গঠিত প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের আদেশে গঠিত শান্তি কমিটির সভাপতি স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাইনউদ্দিন খন্দকার সম্পর্কে অসন্তোষ জ্ঞাপন করেছেন বিশিষ্ঠ আলেম ও দৈনিক আল ইহসানের সম্পাদক আল্লামা মুহাম্মদ মাহবুব আলম।

আজ নাস্তিকদের কঠর শাস্তি নিশ্চিত করার পদ্ধতি নিয়ে আহুত কমিটির বৈঠকের শুরুতে এ অসন্তোষ জ্ঞাপন করেন আল্লামা মাহবুব আলম।

নাস্তিকদের শাস্তি দেওয়ার আগে শান্তি কমিটি সভাপতি অতিরিক্ত সচিব মাইনউদ্দিন খন্দকার খাঁটি মুসলমান কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন আল্লামা মাহবুব আলম।

এ সময় শান্তি কমিটি সভাপতি এ বেপারে আপত্তি জানালে আল্লামা মাহবুব তাকে চেলেঞ্জ দিয়ে মুসলমান প্রমান করতে বলেন।

ধমকের পর বিব্রত সভাপতি কলেমা পড়া শুরু করলে আল ইহসান সম্পাদক তাকে ধমক দিয়ে বলেন, আপনি কি বিবাহের আসরে এসেছেন যে কলেমা পড়ছেন? পেন্ট খুলে নিজেকে মুসলমান প্রমান করুন।

কমিটির সদস্যরা এ প্রস্তাবে আপত্তি জানালেও আলেমদের তুমুল চেলেঞ্জে চাপের মুখে পড়ে অবশেষে অতিরিক্ত সচিব মাইনউদ্দিন খন্দকার নিজের পেন্ট খুলে নিজেকে মুসলমান প্রমান করতে বাধ্য হন।

আল্লামা মাহবুব আলম এ প্রমানে সন্তুষ্ট না হয়ে বলেন, অতিরিক্ত সচিবের প্রমান আন্তর্জাতিক মানের হয়নি। সেখানে অতিরিক্ত কিছু বেপার আছে।

তিনি আলেমদের পক্ষ হতে অতিরিক্ত সচিবকে সঠিক উপায়ে মুসলমানী করার বেপারে সহযোগীতার জন্য হাজামতের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, লাইনে আসুন।

March 31, 2013

বাকশাল আমাদের রাজনীতী চুরি করে: মকবুল

নিজস্ব মতিবেদক

ক্ষমতাসীন বাকশাল সরকারের প্রতি চুরির অভিযোগ এনে বৃহত্তর জামায়াতের ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল আহমদ বলেছেন, বাকশাল বৃহত্তর জামায়াতের রাজনীতী চুরি করে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে মকবুল আহমদ এ অভিযোগ করেন।

মকবুল বলেন, আমরা ইসলামের নামে দুটি বেবসা করে খাই। এই বেবসায় বাকশাল সরকারকে জিজিয়া কর হিসাবে উপযুক্ত ভাগ বখরা ও চান্দা প্রভৃতি দিয়া থাকি। কিন্তু বাকশাল একটি অভিশাপ। তারা আমাদের রাজনীতী চুরি করার চেষ্টা করে।

আবেগঘন কণ্ঠে মকবুল বলেন, সারা দেশে এখন নাস্তিকদের উপর বাকশালী সরকারের নির্যাতন নিপীড়ন চলমান। মৌলবাদী ওলামা মাশায়েখরা সরকারের কাছে নাস্তিকদের কাল তালিকা পেশ করে তাদের শাস্তি চায়। আমরা যখন শান্তি পুর্ন ভাবে দুই চারটি নাস্তিককে জবেহ করা শুরু করেছি, তখনই তাদের উপর বাকশালী সরকারের এই বৈষম্য মুলক আচরন শুরু হল। এ মেনে নেওয়া যায় না।

অবিলম্বে নাস্তিক নিপীড়নের অধিকার বৃহত্তর জামায়াতের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী জানিয়ে মকবুল বলেন, আজ তারা নাস্তিক শিকার করছে, আগামী কাল হয়ত মন্দির পুড়াবে, হিন্দু নারী ধর্ষন করবে। আমাদের সব মজা বাকশালের ফেসিবাদীগন লুট করার মতলবে আছে।

মকবুল আহমদ বলেন, আমরা নাস্তিকদের পাশে আছি। বাকশাল তাহাদের মারার আগেই আমরা তাহাদের জবেহ করব ইনশা আল্লাহ।

বেশী বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দিয়ে ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর বলেন, বাকশাল পুনরায় আমাদের রাজনীতী চুরি করলে আমরা আমাদের গঠনতন্ত্রে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র যোগ করব।

March 30, 2013

সারা দেশ চাইলে জামায়াত নিষিদ্ধ হবে, তার আগে নহে: মখা

নিজস্ব মতিবেদক

স্বরাস্ট্র মন্ত্রী ডাক্তার মখা আলমগীর বলেছেন, সারা দেশ চাইলে জামায়াত নিষিদ্ধ হবে, তার আগে কুনভাবেই নহে।

শুক্রবার চাঁদপুরের কচুয়ায় এক প্রমদ ভ্রমনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মখা মন্ত্রী বলেন, জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার আগে অনেক কিছু দেখতে হবে, বুঝতে হবে। সবার আগে দেখতে হবে গেছো দাদা কুথায়। তার আগে হিসাব করে দেখতে হবে, গেছো দাদা কুথায় কুথায় নাই। তারপর দেখতে হবে গেছো দাদা কুথায় কুথায় থাকতে পারে। তারপর দেখতে হবে গেছো দাদা এখন কুথায় কুথায় আছে। তারপর দেখতে হবে সেই হিসাব মত হেলিকপ্টারে রওয়ানা দিয়া যখন সেইখানে উপস্থিত হব তখন গেছো দাদা কুথায় কুথায় থাকবে।

উপস্থিত সাংবাদিকরা হিসাবের প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মখা মন্ত্রী বলেন, এ অত্যন্ত কঠিন হিসাব। দেখাইতেছি, অয়েট করেন।

এরপর মখা আলমগীর একটি কাঠি দিয়ে ঘাসের উপর লম্বা আঁচড় কেটে বলেন, এই মনে করেন গেছো দাদা। তারপর তিনি এক মিনিট গম্ভীর হয়ে নিরবতা পালন করে তারপর আরেকটি আঁচড় কেটে বলেন, এই মনে করেন আপনি। তারপর আবার একটি আঁচড় কেটে বলেন, এই মনে করেন চন্দ্রবিন্দু। তারপর আরেকটি লম্বা আঁচড় কেটে বলেন, এই মনে করেন মগবাজার, এই মনে করেন গেছো বৌদি রান্না করছে, এই মনে করেন গাছের গায়ে একটা ফুটা।

উপস্থিত সাংবাদিকরা হিসাব বুঝতে না পেরে কবে নাগাদ জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হবে জানতে চাইলে তিনি রাগ করে বলেন, সারা দেশে যদি জামায়াত নিষিদ্ধ না চায় তাহলে কিরুপে জামায়াত নিষিদ্ধ হবে?

আবেগঘন কণ্ঠে মখা মন্ত্রী বলেন, সারা দেশ চেয়েছিল বলেই আমরা আইন করে ঢাকা সিটি কর্পরেশনকে দুই টুকরা করেছিলাম। সেইভাবে সারা দেশকে জামায়াত নিষিদ্ধ চাইতে হবে। এখনও মগবাজার, সাতক্ষীরা, বাশখালী, সুন্দরগঞ্জ, কানসাট প্রভৃতি অঞ্চলে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কুন দাবী উঠে নাই। ঐসব জায়গায় আগে গিয়া দাবী তুলেন, তারপর আমরা বেবস্থা নিব।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে মখা বলেন, সবার আগে ফখা অসভ্যটিকে বেন করা প্রয়জন। তাকে আমি দুই তিনবার জেলের ভাত ভক্ষন করাইলাম, কিন্তু বেয়াদবটি প্রতিবার কৌশলে জেলের বাইরে চলিয়া আসে।

শাহবাগের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে মখা মন্ত্রী বলেন, উহারা জামায়াত জামায়াত করে পাগল, কিন্তু ফখাকে নিষিদ্ধ করার কুন দাবীই তারা তুলে না। জামায়াত আজ নিষিদ্ধ করলে তারা কাল নতুন নামে রাজনীতী শুরু করবে। কিন্তু ফখাকে নিষিদ্ধ করলে কি সে নাম পালটাইয়া রাজনীতী করতে পারবে? পারবে না। অথচ ফখার বেপারে কারও কুন মাথাবেথা নাই। যত্তসব রাশকেল।

এ বেপারে মির্জা ফখরুলের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নাম পালটাইতে আমার কুন আপুত্তি নাই। ফখরুল একটা ফালতু নাম। আমায় নিষিদ্ধ ঘোষনা করলে আমি মির্জা ব্রেড পিট আলমগীর নামে পুনরায় রাজনীতী শুরু করব।

March 29, 2013

টেকায় টেকা আনে: মালাই লামা

নিজস্ব মতিবেদক

হাজার হাজার কুটি টেকা চুরির দায়ে আটক হলমার্ক গ্রুপকে পুনরায় টেকা ঋন দেওয়ার অংগীকার করে অর্থ মন্ত্রী মালাই লামা বলেছেন, টেকায় টেকা আনে।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মালাই লামা হলমার্ক গ্রুপের চুরিদারির তথ্য উপস্থাপন করে বলেন, চার হাজার কুটি টেকা কুন টেকাই নহে। সারা দেশে প্রতি দিন হাজার হাজার কুটি টেকা উনিশ বিশ হয়। হলমার্ক নিয়া এত হাউকাউ ভাল নহে।

অর্থনীতী অতি কঠিন বিষয়, এ মন্তব্য করে মালাই লামা বলেন, টেকা চুরি করলে ফিরত আনা খুব কঠিন বেপার। চার বছর সাধনা করে ছোট গনতন্ত্রের মাত্র বিশ কুটি টেকা আমরা ফিরত আনতে পেরেছি। আর আপনেরা হলমার্কের চার হাজার কুটি টেকা চার মাসে আদায় করতে বলেন।

লাস ভেগাস শান্তি পদক জয়ী মালাই লামা

হলমার্কের টেকাকে কানের পানির সংগে তুলনা করে মালাই লামা বলেন, কানে পানি ঢুকলে আমরা কি করি? লাফালাফি ঝাকাঝাকি করে কুন ফয়দা হয়? হয় না। কানে পানি ঢুকলে কানে আরও পানি ঢুকাতে হয়। তবেই কানের পানি বের হয়ে আসে। হলমার্কের টেকাও এইরুপ। আরও চার হাজার কুটি টেকা তাদের জরুরী সহায়তা দিতে হবে। তাহলে আমরা আগের চার হাজার কুটি টেকা ফিরত পাব।

তবে সব টেকা ফিরত পাওয়া যাবে না বলে মালাই লামা বলেন, কিছু টেকা ডানে বামে নষ্ট হয়েই থাকে। এইসব কুন বেপারই নহে।

আবেগঘন কণ্ঠে মালাই লামা বলেন, হলমার্কের তানভীর সোনার আংটি ভক্ষন করেছে। আপনারা বলছেন তার পেট ফাড়িয়া সেই আংটি উদ্ধার করতে। আর আমি বলছি, তাকে আরও এক কেজি সোনার আংটি ভক্ষন করান হউক, যাতে তার ঠেলায় প্রথম আংটি পুটু পথে বাইরে আসে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মালাই লামা বলেন, টেকাই ত মেরেছে, পুটু ত মারেনি। তুমরা এত সমস্যা কর কেন?

Tags:
%d bloggers like this: